চোটের কারণে রোনালদোর চেয়ে ৩৫৯ দিন বেশি মাঠের বাইরে ছিলেন মেসি

· Prothom Alo

ফুটবলারদের ক্যারিয়ারে চোট অনাকাঙ্ক্ষিত; কিন্তু অনিশ্চিত এক আগন্তুক। ক্যারিয়ারের কোনো না কোনো পর্যায়ে অযাচিতভাবে চোট আসবেই। তবে চোটের এই হানা সবার জন্য সমান বিপর্যয় নিয়ে আসে না। কোনো কোনো খেলোয়াড়ের প্রতি চোট যেন একটু বেশিই নির্দয় থাকে।

যেমন নেইমারের মতো তারকার ক্যারিয়ার যেখানে যাওয়া উচিত, সেখানে যেতে পারেনি শুধু চোটের কারণে। লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দীর্ঘ ক্যারিয়ারেও অপয়া চোট দুজনের প্রতি একই রকম আচরণ করেনি। মেসির চেয়ে রোনালদোর প্রতি চোট কিছুটা বেশিই সদয় ছিল।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

ফুটবল দুনিয়ায় রোনালদো অবশ্য ফিটনেসের সমার্থক। ক্যারিয়ারজুড়ে ফিটনেসের সঙ্গে কখনো আপস করেননি ‘সিআর সেভেন’। আর ফিটনেসের প্রতি এই প্রেম রোনালদোকে দিয়েছেও দুই হাত ভরে। ২০০২ সালে পেশাদার ফুটবলে যাত্রা করার পর এখন পর্যন্ত মাত্র ৪৯০ দিন চোটের জন্য মাঠের বাইরে ছিলেন রোনালদো। সর্বোচ্চ টানা ৭১ দিন মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি।

মেসির ৯০০ গোল হতে রইল বাকি এক

আর সব মিলিয়ে রোনালদো মিস করেছেন মাত্র ৭১ ম্যাচ। চোটপ্রবণ আধুনিক ফুটবলে এই পরিসংখ্যান রীতিমতো অবিশ্বাস্য। চোটের কারণে রোনালদোর টানা ম্যাচ মিসের সংখ্যা দুই অঙ্কে পৌঁছেছে কেবল একবার। ২০০৯–১০ মৌসুমে রোনালদো সব মিলিয়ে মিস করেছিলেন ১৩ ম্যাচ। বর্তমানে অবশ্য চোটের কারণে বাইরে আছেন রোনালদো। তাই সামনের দিনগুলোয় ম্যাচ মিসের সংখ্যা আরও কিছু বাড়তে পারে।

আল নাসরের সর্বশেষ ম্যাচে চোট পান রোনালদো

রোনালদোর দুই মৌসুম পরে ফুটবল মঞ্চে মেসির আগমন; কিন্তু রোনালদোর চেয়ে চোটের কারণে অনেক বেশি ভুগেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ক্যারিয়ারজুড়ে সব মিলিয়ে ৮৪৯ দিন বেশি মাঠের বাইরে ছিলেন মেসি। অর্থাৎ রোনালদোর চেয়ে মেসি ৩৫৯ দিন বেশি মাঠের বাইরে ছিলেন।

আর এই সময়ে মেসি ম্যাচ মিস করেছেন ১২৫টি। রোনালদোর চেয়ে ৫১ ম্যাচ বেশি মিস করেছেন মেসি; আর রোনালদোর একবারের বিপরীতে মেসি টানা ম্যাচ মিসে দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন ৮ বার। ২০০৬–০৭ মৌসুমে সর্বোচ্চ টানা ১৯ ম্যাচে চোট নিয়ে মাঠের বাইরে ছিলেন ইন্টার মায়ামি তারকা।  

বিলিয়নিয়ার রোনালদো ক্লাবের শেয়ার কিনে যেভাবে অবসরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন

চোটের কারণে কে কত দিন বাইরে ছিলেন

রোনালদো—৪৯০
মেসি—৮৪৯

চোটের কারণে কে কত ম্যাচ মিস করেছেন

রোনালদো—৭১
মেসি—১২৫

Read full story at source