বিশ্বকাপে ইয়ামাল–উইলিয়ামসকে পাবেন বলেই আশা ফুয়েন্তের

· Prothom Alo

ঘাড়ের ওপর নিশ্বাস ফেলছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। আর এদিকে জাতীয় দলের কোচদের অস্থিরতা বাড়ছে। ক্লাব ফুটবলের মৌসুমটা শেষ হলেই যেন বাঁচেন তাঁরা। সবারই প্রার্থনা, শেষ সময়ে এসে নিজের দলের খেলোয়াড়দের কেউ যাতে চোটে না পড়েন।

কেউ কেউ অবশ্য এরই মধ্যে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন। স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের কথাই ধরুন। তাঁর রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে কয়েকজন খেলোয়াড়ের চোট। বিশেষ করে দুই উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামসকে নিয়ে এখন দুরুদুরু বুকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাঁকে। দলের সবচেয়ে বড় তারকা ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল হ্যামস্ট্রিং চোটের কবলে। গত এপ্রিলের শেষ দিকে বার্সেলোনার হয়ে খেলার সময় চোট পেয়েছিলেন এই বিস্ময়–বালক। ক্লাবের মৌসুমের বাকি সময়টা তাঁকে তাই দর্শক হয়েই কাটাতে হচ্ছে। তবে বার্সেলোনা আশ্বস্ত করেছে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় বিশ্বকাপ শুরুর আগেই সুস্থ হয়ে উঠবেন ইয়ামাল।

Visit sweetbonanza-app.com for more information.

চিন্তা কেবল ইয়ামালকে নিয়ে নয়। অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের নিকো উইলিয়ামস গত রোববার পেশির চোটে পড়েছেন। ওদিকে আর্সেনালের মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো তো তিন মাস আগেই ডান পা ভেঙে মাঠের বাইরে। তিনজনই ফুয়েন্তের বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় থাকার কথা খুব ভালোভাবে। এত সহজে তাই কারও ব্যাপারে হাল ছাড়তে রাজি নন স্পেনের কোচ।

চোটের কারণে আপাতত খেলতে পারছেন না লামিনে ইয়ামাল

মাদ্রিদে গতকাল সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দে লা ফুয়েন্তে তাই শোনালেন আশার বাণী। তাঁর কথা, ‘আমার বিশ্বাস, যাদের নাম নেওয়া হয়েছে, তারা সবাই বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ফিট থাকবে। এমনকি প্রথম ম্যাচ থেকেই তাদের পাওয়ার আশা করছি।’

বিশ্বকাপে ফ্রান্সের প্রথম অধিনায়ক, তারপর নৃশংস খুনি ও ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যু

এরপরই আবার ফুয়েন্তে একটু শঙ্কায় ফেলে দিয়েছেন স্পেনের সমর্থকদের, ‘প্রথম ম্যাচে না হলেও দ্বিতীয় বা তৃতীয় ম্যাচে অবশ্যই পাব। এটা বড় কোনো সমস্যা তৈরি করবে না।’ তবে ফুটবলারদের এই চোটের মিছিল তাঁকে যে কিছুটা চাপে রেখেছে, তা-ও লুকাননি তিনি, ‘চোট হলো খেলাধুলার বড় ট্র্যাজেডি। বিশেষ করে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। এখন যেকোনো ছোট পেশির চোট থেকে সেরে ওঠাও সত্যিই কঠিন।’

লামিনে ইয়ামাল ও লুইস দে লা ফুয়েন্তে (ডানে)

দে লা ফুয়েন্তে নিশ্চিত করেছেন, বিশ্বকাপে স্পেনের মূল বহর হবে ২৬ জনের। তবে ৪ জুন ইরাকের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য দলের সঙ্গে আরও বাড়তি কিছু খেলোয়াড় রাখা হবে।

আগামী ১৫ জুন আটলান্টায় কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ২০১০-এর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ‘সি’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে ও সৌদি আরব।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রাথমিক দলে কেন নেই দিবালা

Read full story at source