ঢাকায় আবার তাপপ্রবাহ শুরু, রাতের তাপমাত্রার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি

· Prothom Alo

রাজধানীতে চলতি মাসে এই প্রথমবারের মতো তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে আজ বুধবার। এ বছর গ্রীষ্ম মৌসুম শুরুর পর রাজধানীতে তাপপ্রবাহের দিন ছিল হাতে গোনা।

Visit betsport.cv for more information.

আজ নগরীতে ভ্যাপসা গরম পড়েছে। এতে বেশি কষ্টে পড়েছেন রাস্তায় কাজ করা শ্রমজীবী মানুষ। এই প্রচণ্ড গরমের কারণ রাতের তাপমাত্রার বৃদ্ধি, এমনটাই বলছেন আবহাওয়াবিদেরা। গত রাতে রাজধানীর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। এর প্রভাব পড়েছে দিনে। এ অবস্থা আরও দুয়েক দিন থাকতে পারে বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা।

আজ ঢাকাসহ দেশের সাত জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রাজধানীতে আজ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কোনো এলাকার তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলেই তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। ঢাকা ছাড়া আজ যেসব এলাকায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, সেগুলো হলো বাগেরহাটে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যশোরে ৩৬ দশমিক ৮, সাতক্ষীরায় ৩৬ দশমিক ৪, খুলনায় ৩৬ দশমিক ২, পাবনা ও রাজশাহীতে ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর মধ্যে বাগেরহাটের তাপমাত্রা আজ দেশের সর্বোচ্চ।

রাজধানীতে আজ গরমের তীব্র অনুভূতির প্রধান কারণ রাতের তাপমাত্রা বা সর্বনিম্ন তাপমাত্রার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। এ তাপমাত্রা হলো ২৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক আজ প্রথম আলোকে বলেন, রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। আজ দিনে গরম বাড়ার মূলেই আছে এই অস্বাভাবিক তাপমাত্রা। কারণ, এ সময় দিনের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি রাজধানীর জন্য খুব বেশি নয়। কিন্তু গরমের অনুভূতি হচ্ছে অনেক বেশি। চলতি মাসের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়। বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাস মে তার নিজ রূপে আবির্ভূত হয়নি এত দিন। প্রায় চার দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। তবে রাজধানীতে আজই প্রথম।

আগামী অন্তত দুই দিন এমন গরম এবং বিচ্ছিন্নভাবে তাপপ্রবাহ থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবুল কালাম মল্লিক।

আজ রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় তাপপ্রবাহ বয়ে গেলেও বৃষ্টি হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের একাধিক এলাকায় আজ বৃষ্টি হয়েছে। রাজধানীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে, তবে তা হতে পারে সামান্য।

Read full story at source