ভাটারায় উদ্ধার হওয়া নারীর মরদেহে খুনের আলামত, স্বামী পলাতক

· Prothom Alo

রাজধানীর ভাটারা থানার সোলমাইদ এলাকার একটি বাসা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় একজন গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর নাম পূর্ণিমা আক্তার (২৫)।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তাঁর গলায় নখের আঁচড়ের চিহ্ন রয়েছে।

Visit milkshakeslot.lat for more information.

ভাটারা থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্বামী স্বপনের সঙ্গে সোলমাইদ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন পূর্ণিমা। জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ খবর পেয়ে ভাটারা থানা-পুলিশ ওই বাসায় যায়। এ সময় খাটের ওপর থেকে পূর্ণিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে ময়নাতদন্তের জন্য পূর্ণিমার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়।

মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াউর রহমান। প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ণিমার মাথার বাঁ পাশে ফুলে ছিল। তাঁর গলার বাঁ পাশে আঙুলের ছাপ রয়েছে।

এসআই ইয়াউর রহমান বলেন, ঘটনার পর থেকে পূর্ণিমার স্বামী স্বপন পলাতক। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি।

পূর্ণিমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন এসআই ইয়াউর রহমান। তিনি বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।

পূর্ণিমার বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার বিল্লা কুড়িগ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. কুদ্দুস। থানা-পুলিশ জানায়, আগের স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর স্বপনকে বিয়ে করেন এই নারী। আগের ঘরে একটি মেয়েসন্তান রয়েছে পূর্ণিমার। মেয়েটি পূর্ণিমার মা-বাবার সঙ্গে গ্রামে থাকে। স্বপনেরও আরেক স্ত্রী রয়েছে। পূর্ণিমা ও স্বপনের সংসারে কলহ চলছিল।

Read full story at source