শাকিরার সঙ্গে ফিফা অফিশিয়াল অ্যালবামে বাংলাদেশের সঞ্জয়
· Prothom Alo

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী আয়োজনে পারফর্ম করার পাশাপাশি অফিশিয়াল অ্যালবামেও জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয়। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি খবরটি জানিয়েছেন।
ফিফা অফিশিয়াল অ্যালবামে বাংলাদেশের সঞ্জয়পোস্টে সঞ্জয় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর এই অর্জন এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসেতে বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি সংগীতচর্চা শুরু করেন। বিশ্বের বড় মঞ্চে গান তৈরির স্বপ্ন দেখতেন বলেও উল্লেখ করেন।
Visit palladian.co.za for more information.
সঞ্জয় লেখেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে পারফর্ম করার সুযোগ পাওয়া এবং একই সঙ্গে অফিশিয়াল অ্যালবামের অংশ হতে পারা অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
সিলেট-চট্টগ্রাম, সিলিকন ভ্যালি হয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে, কে এই সঞ্জয়পোস্টে সঞ্জয় আরও লেখেন, এই অর্জন শুধু তার একার নয়, বরং এমন সব তরুণের জন্য অনুপ্রেরণা—যাদের স্বপ্ন অনেক বড়, এবং যারা তা পূরণে চেষ্টা করে।
পোস্টে সঞ্জয় জানান, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিশিয়াল সাউন্ডট্র্যাকে যুক্ত হওয়া গানটির শিরোনাম ‘সির সির’। এই প্রকল্পে তাঁর সঙ্গে আরও আছেন নোরা ফাতেহি ও ভেজড্রিমের মতো আন্তর্জাতিক শিল্পীরা।
একই অ্যালবামে বিশ্বখ্যাত রক ব্যান্ড ‘দ্য রোলিং স্টোনস’, পপ তারকা ‘শাকিরা’, রেগেটন কিংবদন্তি ‘ড্যাডি ইয়াঙ্কি’ এবং আফ্রোবিটস তারকা ‘বার্না বয়’ ও ‘রেমা’-র মতো বৈশ্বিক মিউজিক আইকনদের গানও স্থান পেয়েছে।
এই প্রকল্পে সঞ্জয়ের সঙ্গে আরও আছেন নোরা ফাতেহি ও ভেজড্রিমের মতো আন্তর্জাতিক শিল্পীরা।যৌথভাবে এবার ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। তিন দেশেই আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে। তিন দেশে উদ্বোধনী ম্যাচগুলোর আগে পারফর্ম করার জন্য বিভিন্ন দেশের শিল্পীদের ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করেছে ফিফা। তালিকায় আছেন বাংলাদেশের তরুণ গায়ক ও ডিজে সঞ্জয়। তিনি পারফর্ম করবেন মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ব্ল্যাকপিঙ্ক সদস্য লিসার মতো তারকাদের সঙ্গে।
বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয়জন্ম শ্রীমঙ্গলে হলেও সঞ্জয়ের শৈশব কেটেছে চট্টগ্রামের লাভ লেন এলাকায়। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বেড়ে ওঠেন এবং সেখানকার বহুসাংস্কৃতিক পরিবেশ তাঁর সংগীতচর্চাকে সমৃদ্ধ করেছে বলে জানান। পরিবারে সংগীতের পরিবেশ ছিল বলেও উল্লেখ করেন—তাঁর মা গান করতেন এবং নানি-ও সংগীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।