মাদারীপুরে মানব পাচার মামলায় নারী গ্রেপ্তার, জামাতাকে খুঁজছে পুলিশ

· Prothom Alo

মাদারীপুরে মানব পাচার মামলায় কুলসুম বেগম (৪২) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে শিবচর উপজেলার কেরানীবাট থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রোববার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Visit fish-roadgame.com for more information.

গ্রেপ্তার কুলসুম বেগম কেরানীবাট গ্রামের সামাদ খানের মেয়ে। ওই মামলায় পলাতক আছেন তাঁর জামাতা মানব পাচার চক্রের মূলহোতা কুদ্দুস রহমান (৩৫)। কুদ্দুস শিবচর উপজেলার বাঁশকান্দি গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার চর খোয়াজপুর গ্রামের মৃত বজলু হাওলাদারের ছেলে সালাউল্লাহকে (২২) সরাসরি ইতালি নেওয়ার চুক্তি করেন কুদ্দুস রহমান। চুক্তি মোতাবেক ২০ লাখ টাকা দিলে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর সানাউল্লাহকে সৌদি আরব হয়ে লিবিয়া নিয়ে আটকে নির্যাতন চালায় দালাল চক্র। পরে নির্যাতনের ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে সানাউল্লাহর পরিবারের কাছ থেকে আদায় করা হয় মুক্তিপণের আরও ২০ লাখ টাকা। ধারদেনা করে মানব পাচার চক্রের সদস্যদের হাতে মোট ৪০ লাখ টাকা তুলে দিলেও ছয় মাস ধরে কোনো হদিস মিলছে না সানাউল্লাহর।  পরিবারের আশঙ্কা সানাউল্লাহকে নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে দালাল চক্র।

এই ঘটনায় ১ জুন সানাউল্লাহর দুলাভাই রনি খান (৩৭) বাদী হয়ে মাদারীপুর আদালতে কুদ্দুসসহ ১১ জনের নামে মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে সদর মডেল থানায় মামলা এজাহারভুক্ত করা হয়। এরপরে অভিযান চালিয়ে কুদ্দুসের শাশুড়ি কুলসুম বেগমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

লিবিয়ায় নিয়ে নির্যাতনের পর খোঁজ মিলছে না তরুণের, মানব পাচার মামলায় শ্বশুর ও পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, মানব পাচার মামলায় এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর জামাতাসহ বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে। এ চক্রের অন্য সদস্যদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

মানুষ মরে, বিচার হয় না, পাচার থামে না

Read full story at source