ফরিদপুরে মাদক ব্যবসায়ী সন্দেহে যুবককে পিটুনি, প্রাইভেট কারে আগুন

· Prothom Alo

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মাদক ব্যবসায়ী সন্দেহে মামুন মোল্লা (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে তাঁর ব্যবহৃত প্রাইভেট কারে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের মালিখালী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

তবে ঘটনার পর পুলিশি তল্লাশিতে মামুন মোল্লার কাছ থেকে কোনো মাদক উদ্ধার না হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মামুন মোল্লা উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ধুলজোড়া গ্রামের বাসিন্দা মানিক মোল্লার ছেলে।

Visit betsport24.es for more information.

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে মামুন মোল্লা একটি প্রাইভেট কার নিয়ে এলাকায় আসেন। এ সময় এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে মাদক ব্যবসায়ী বলতে থাকেন। একপর্যায়ে সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে তাঁকে মারধর করেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাঁর ব্যবহৃত প্রাইভেট কারে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত মামুনকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, মামুন মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে তাঁর পরিবারের দাবি, অতীতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর ওপর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হামলা করা হয়েছে।

মামুনের বাবা মানিক মোল্লা বলেন, ‘আমার ছেলে ফরিদপুর আদালতে একটি মামলার হাজিরা দিয়ে বাড়ি এসেছিল। দুপুরে খাওয়াদাওয়া শেষে ঢাকায় যাওয়ার জন্য আত্মীয়ের প্রাইভেট কার নিয়ে বের হয়। পথে তাকে আটক করে মারধর করা হয় এবং গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। ছেলে অতীতে মাদকাসক্ত থাকলেও অনেক আগেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শত্রুতা করে মারধরে মূল্যবান গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া মেনে নেওয়া যায় না। আমি এ ঘটনার ন্যায়বিচার চাই।’

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মামুনের বিরুদ্ধে মাদক–সংক্রান্ত মামলা আছে। স্থানীয় লোকজন তাঁকে মারধর করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন। তবে তাঁর কাছ থেকে কোনো মাদক উদ্ধার হয়নি। গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Read full story at source