ইউসিবিডির ‘ভিশন অ্যান্ড ভোগ’ ফ্যাশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

· Prothom Alo

ছবি: ৪ নামে এডু জবসে
ছবির ক্যাপশন
‘ভিশন অ্যান্ড ভোগ’ শীর্ষক ফ্যাশন প্রতিযোগিতার আয়োজক ও বিচারকদের সঙ্গে পুরস্কার হাতে বিজয়ীরা। ছবি: ইউসিবিডির সৌজন্যে


যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ল্যাঙ্কাশায়ারের সঙ্গে যৌথভাবে ‘ভিশন অ্যান্ড ভোগ’ শীর্ষক ফ্যাশন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবিডি)। ফ্যাশন প্রমোশন অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের উদ্যোগে গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) প্রতিষ্ঠানটির গুলশান ক্যাম্পাসে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

Visit sportnewz.click for more information.

পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদান ব্যবহারের মাধ্যমে সৃজনশীলতা, পরিবেশবান্ধব ফ্যাশন ও উদ্ভাবনী ভাবনাকে তুলে ধরাই ছিল এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য।

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি এবং ১৫ থেকে ২৩ বছর বয়সী জেনারেল এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের (জিইডি) শিক্ষার্থীরা একক ও দলগতভাবে অংশ নেয়। লাইভ ফ্যাশন শোতে চূড়ান্ত পর্বে ওঠা মোট ১৫টি ডিজাইন পরিবেশন করা হয়। পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদান দিয়ে তৈরি নানা ধরনের দেশীয় ভাবধারার পোশাক প্রদর্শন করেন প্রতিযোগীরা।

প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে ছিলেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ল্যাঙ্কাশায়ারের স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড মিডিয়ার অ্যাসোসিয়েট ডিন পরেশ পারমার ও ইন্টারন্যাশনাল পার্টনারশিপস প্রজেক্ট ম্যানেজার রিচার্ড অ্যান্টনি ব্রেম, এক্সপেরিয়েন্স গ্রুপের ব্র্যান্ড ‘আমিরা’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়নব মাকসুদ, ইউসিবিডির প্রভোস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, হেলথ কোচ ও ফ্যাশন ডিজাইনার জারিন রশিদ প্রমুখ।

সেরা তিন বিজয়ীকে মোট ৬০ হাজার টাকার পুরস্কার দেওয়া হয়। সেরা ১৫ জন প্রতিযোগীকে প্রদান করা হয় বিশেষ শিক্ষাবৃত্তি।

উদ্যোগটি সম্পর্কে ইউসিবিডির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত বলেন, ‘সৃজনশীলতা কীভাবে টেকসই উপাদান, ঐতিহ্য এবং ব্র্যান্ড ভাবনার সমন্বয় ঘটাতে পারে, সেটিরই উদাহরণ “ভিশন অ্যান্ড ভোগ”। আমরা চাই তরুণ নির্মাতারা ফ্যাশনকে কেবল আত্মপ্রকাশের মাধ্যম হিসেবে না দেখে উদ্ভাবন ও ইতিবাচক পরিবর্তনের ক্ষেত্র হিসেবেও বিবেচনা করুক।’

পরেশ পারমার বলেন, প্রতিযোগীরা যেভাবে পরিবেশবান্ধব উপাদান ব্যবহার করে ডিজাইন, নিজস্ব সত্তা এবং গল্প ফুটিয়ে তুলেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের উদ্যোগ ফ্যাশন শিল্পের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে তরুণদের সাহায্য করবে।

Read full story at source