নোয়াখালীতে যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ, অভিযোগ শিবিরের বিরুদ্ধে
· Prothom Alo

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. সোহেল (৩৫) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ রোববার সন্ধ্যা আনুমানিক পৌনে সাতটার দিকে ২ নম্বর গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর গ্রাম এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
Visit livefromquarantine.club for more information.
জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে ঘটনার জন্য স্থানীয় ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের দায়ী করা হয়েছে। তবে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করা হয়েছে, যুবদলের ওই নেতা কোমরে অস্ত্র বহন করতে গিয়ে নিজের অস্ত্রের গুলিতে নিজেই আহত হয়েছেন।
যুবদলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা জানান, আজ সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে যুবদল গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মো. সোহেল রসুলপুর গ্রামে তাঁর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ সাত-আটজন সশস্ত্র ব্যক্তি এসে সোহেলকে লক্ষ্য করে কয়েকটি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় তাঁর শরীরে বেশ কয়েকটি ছররা গুলি লাগে। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান প্রথম আলোকে বলেন, শিবিরের কর্মীরা এ ঘটনার জন্য দায়ী। বেগমগঞ্জের তিন-চারটি ইউনিয়ন জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র ক্যাডারদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। এর আগে ছয়ানী ইউনিয়নেও অনুরূপ গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল।
যুবদলের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রশিবির উত্তর জেলা সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম হামলায় তাঁদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন, ভুক্তভোগী নিজেই অস্ত্র নিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। বিষয়টি বিস্তারিত তদন্তের দাবি রাখে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে থাকা বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, রসুলপুরের খালের পাড়সংলগ্ন অন্ধকারাচ্ছন্ন ও কাদাময় এলাকায় মাগরিবের সময় এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি শটগানের ছররা গুলির আঘাত। পুলিশ পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।