আগামী মাসের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের কাজ চলছে: রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত

· Prothom Alo

আজ বুধবার গুলশান কার্যালয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার খোজিন

রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার খোজিন বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী মাসের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে।

Visit albergomalica.it for more information.

আজ বুধবার গুলশান কার্যালয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার খোজিন। এফবিসিসিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। প্রকল্পের কারিগরি ইস্যুগুলো দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে প্রায় চার হাজার রাশিয়ান বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলী নিরলসভাবে কাজ করছেন বলে জানান আলেক্সান্দার খোজিন।

আলেক্সান্দার খোজিন আরও জানান, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্পর্ক আরও নিবিড় ও প্রসারিত করতে যৌথ ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’ গঠনে আগ্রহ জানিয়েছে মস্কো চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। মস্কোতে রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁদের।

রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার খোজিন বলেন, নভেম্বর মাসের শুরুতে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় আন্তসরকার কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

বৈঠকে রুশ রাষ্ট্রদূত জানান, দুই দেশের উদ্যোক্তাদের সরাসরি যোগাযোগের জন্য মস্কোতে এই ফোরাম আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওই ফোরামে বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীদের প্রোফাইলের ওপর ভিত্তি করে সরাসরি বিটুবি বৈঠকসহ বিভিন্ন সেশন আয়োজন করা হবে।

বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য বাড়াতে তৈরি পোশাক খাতের পাশাপাশি নতুন ও সম্ভাবনাময় খাতে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক। এ সময় তিনি ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, সিরামিকসহ রাশিয়ায় মানবসম্পদ রপ্তানির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

বৈঠকে রুশ রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ থেকে জেনেরিক ওষুধ আমদানির বিষয়ে রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে প্রক্রিয়াগত ও আইনি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। এ ছাড়া রাশিয়ার তীব্র শীতের উপযোগী ভারী জুতা ও চামড়াজাত পণ্যেরও ভালো চাহিদা রয়েছে।

কৃষি, মৎস্য ও জাহাজনির্মাণ শিল্প এবং সেবা খাতে কাজের সুযোগ তৈরি হওয়ায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া প্রায় তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে ভিসা প্রদান করেছে বলেও জানান তিনি।

Read full story at source