সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবার পেছাল, দ্রুত বিচারের দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে মানববন্ধন

· Prothom Alo

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবার পিছিয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ নভেম্বর নতুন তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ দশমবারের মতো পেছাল। এদিন আদালত প্রাঙ্গণে সালমান শাহর ভক্তরা দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন।

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য ছিল। তবে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক মো. জিয়াউল মোর্শেদ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা নতুন তারিখ দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Visit h-doctor.club for more information.

সালমান শাহ: অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলা, ডন গ্রেপ্তার, ৩০ বছরে আর যা হলো

এদিন আদালত প্রাঙ্গণে সালমান শাহর ভক্তরা দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে তাঁরা গ্রেপ্তার অভিনয়শিল্পী ডনকে রিমান্ডে নেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হককে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না, এত দিন হয়ে গেলেও কেন অভিযোগপত্র দেওয়া হচ্ছে না—এমন প্রশ্ন রাখেন।

দ্রুত সময়ে সালমান শাহ হত্যা মামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানিয়ে মানববন্ধন শেষ করেন ভক্তরা।

সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তাঁর মৃত্যুর ‘প্রকৃত কারণ’ নিয়ে নানা আলোচনা ও জল্পনা আছে। দীর্ঘ ২৯ বছর পর ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তাঁর ভাই আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।

দ্রুত বিচারের দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে সালমান শাহর ভক্তরা মানববন্ধন করেন

মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, সামিরার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচ্চিত্র অভিনেতা ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদকে আসামি করা হয়।

গত ৯ আগস্ট ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেদিনই আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে ২৭ আগস্ট তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

Read full story at source