মানবাধিকার ও জলবায়ু নীতি নিয়ে ঢাবি-এএফডির যৌথ গবেষণার উদ্যোগ

· Prothom Alo

বাংলাদেশে মানবাধিকার ও জলবায়ু নীতি নিয়ে যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা (এএফডি)। জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে মানবাধিকারের ওপর প্রভাব ফেলছে, তা পর্যবেক্ষণে একটি তথ্য সংগ্রহের কাঠামো তৈরির বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

Visit freshyourfeel.org for more information.

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন ফরাসি উন্নয়ন সংস্থার পরিবেশবিশেষজ্ঞ ড. ফরিদ লামারা। এ সময় সংস্থাটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক নিউম্যান ম্যাক্স উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকরামুল হক এবং আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবীর উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ‘বাংলাদেশে মানবাধিকার ও জলবায়ু নীতি’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্প গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়নকারী হিসেবে ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া গবেষণার জন্য এমন একটি তথ্য সংগ্রহের কাঠামো তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়, যার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানবাধিকারের ওপর সৃষ্ট প্রভাব নিয়মিত ও সুশৃঙ্খলভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। সরকার, সুশীল সমাজ ও শিক্ষাঙ্গনসহ বিভিন্ন পক্ষ এ কাঠামো ব্যবহার করতে পারবে বলে বৈঠকে মত দেওয়া হয়।

গবেষণা প্রকল্প পরিচালনার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গবেষণা কমিটি ও বৈজ্ঞানিক কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে প্রকৃতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও নদীদূষণ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এএফডির মধ্যে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগের জন্য ফরাসি বিশেষজ্ঞকে ধন্যবাদ জানান উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে এএফডির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

গবেষণা পরিচালনা ও গবেষণালব্ধ ফলাফল কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন উপাচার্য। তিনি বলেন, গবেষণার মাধ্যমে দেশের নদ-নদীকে রাসায়নিক দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

Read full story at source