১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে সাংস্কৃতিক উৎসব, থাকবে বাউল গান–ব্যান্ড সংগীত: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

· Prothom Alo

আগামী ১ ডিসেম্বর সারা দেশে একযোগে সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু হবে। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এ কথা জানিয়েছেন। উৎসবে রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, বাউল, ভাটিয়ালি, জারি ও সারিগানের পাশাপাশি পিঠা উৎসব, ঘুড়ি ওড়ানো ও তরুণদের ব্যান্ড সংগীতের আয়োজন থাকবে।

Visit likesport.biz for more information.

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ নগরের জয়নুল আবেদিন পার্কের বৈশাখী মঞ্চে দুই দিনের ‘লোকজ সাংস্কৃতিক মেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। নজরুলবর্ষ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন এ মেলার আয়োজন করেছে।

গ্রাম ও শহরে হারিয়ে যেতে বসা সাংস্কৃতিক উপাদান পুনরুজ্জীবিত করা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানান সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি এখন সংকটময় সময় পার করছে। পাহাড় ও সমতলের সংস্কৃতিসহ দেশের সামগ্রিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচর্যা ও পৃষ্ঠপোষকতা দরকার। পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে সংগীত, নৃত্য, কবিতা ও লোকজ সংস্কৃতির অনেক উপাদান বিকশিত হতে পারছে না।

সাংস্কৃতিক খাত গতিশীল করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগ্রহী বলে জানান আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তিনি বলেন, একটি গাছ যেমন পরিচর্যা, সার, পানি ও সুরক্ষা ছাড়া বড় হতে পারে না, তেমনি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া সংস্কৃতির বিকাশও সম্ভব নয়। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে আলোচনা করেছেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

নজরুলবর্ষ প্রসঙ্গে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী জানান, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের আয়োজন শেষ হয়েছে। আগামী নভেম্বরের শেষ দিকে জাতীয় পর্যায়ে নজরুলবর্ষের অনুষ্ঠান হবে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের মে মাস পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলামকে কেন্দ্র করে নানা অনুষ্ঠান হবে।

যাত্রা, সার্কাস ও বিভিন্ন শিল্পকর্মসহ দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক ধারাগুলোকে সুস্থ ও রুচিশীলভাবে এগিয়ে নিতে সরকার ও মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি সব মহলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম এবং নিজের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কুদ্দুস বয়াতির পরিবেশনা ও ‘গুরুশিষ্য’ পালাগান অনুষ্ঠিত হয়।

Read full story at source