ভারতে বাস করা এখন কেন এমন অস্বস্তির
· Prothom Alo

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে নরেন্দ্র মোদি যে আকর্ষণীয় স্বপ্ন বুনেছিলেন, তার অন্যতম প্রধান উপাদান ছিল ‘সহজ জীবনযাপন’। তিনি মাঝেমধ্যেই এ কথা আওড়ান। কিন্তু ভারতের নির্বাচন কমিশন যদি হঠাৎই কোনো দরিদ্র মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে কেটে দেয় এবং তাকে নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে, যে মন্ত্রণালয় এখন ‘খুঁজে বের করো, মুছে দাও, বহিষ্কার করো’ উন্মাদনায় মত্ত, তাহলে জীবন কতটা সহজ থাকে? এটি আসলে সেই তথাকথিত ‘সহজ জীবনযাপন’-এর সুন্দর পুতুলটিকেই শ্বাস রোধ করে হত্যা করার নামান্তর।
Visit newsbetting.cv for more information.
নাগরিকেরা সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগও তুলতে পারেন না, যদিও আদালত অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে ব্যাপক ভোটাধিকার-বঞ্চনার এই প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেছে এবং শেষ পর্যন্ত তাকে বৈধতাও দিয়েছে। তবে আমরা আলোচনা করতে পারি, বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) বৈধ ঘোষণার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট আদৌ প্রান্তিক মানুষের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করেছে কি না। সবাই জানে, ভারতের অধিকাংশ দরিদ্র মানুষের কাছে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই। আর সরকার তার ‘ঘুসপেঠিয়া’ (অনুপ্রবেশকারী) তত্ত্বকে কার্যত একটি অস্ত্রে পরিণত করেছে।
বাস্তব পরিস্থিতি বাইরে থেকে যতটা দেখা যায়, তার চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ। জীবিকা নির্বাহের জন্য দিশাহারা হয়ে ঘুরে বেড়ানো দরিদ্র মানুষদের খাদ্য, চিকিৎসা কিংবা সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করানোর ব্যবস্থাই করতে হিমশিম খেতে হয়। এখন তাদের ঠেলে দেওয়া হয়েছে আইনি জটিলতার এক ভয়ংকর ফাঁদে।
ভোটাধিকার হারানোর অপমান তারা হয়তো সহ্য করতে পারে। কিন্তু নাগরিকত্ব হারানোর আশঙ্কা কীভাবে সামলাবে? রাষ্ট্রহীন হয়ে যাওয়া মানে নিজের পরিচয়ের ধ্বংস। পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের মুখ্যমন্ত্রীরা ইতিমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে না, তাঁরা নাগরিক হিসেবে পাওয়া সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা, এমনকি কল্যাণমূলক কর্মসূচির সুবিধাও হারাবেন। এর সঙ্গে যদি দেশ থেকে বহিষ্কারের আশঙ্কাও যোগ হয়, তাহলে কি এটিই ‘সহজ জীবনযাপন’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? এটাই কি সেই ‘আচ্ছে দিন’, যার প্রতিশ্রুতি আপনি দিয়েছিলেন?
কোটি কোটি মানুষ এখন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আর শুধু দরিদ্ররাই নন, অভিজাতরাও এর প্রভাব থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। কলকাতার এক প্রভাবশালী ও প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি তাঁর পাসপোর্ট নবায়ন করতে পারেননি। কারণ, পুলিশ ছাড়পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে—তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল। তিনি আগের নির্বাচনে ভোটও দিয়েছিলেন। উচ্চপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেও কোনো লাভ হয়নি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর একটি গুরুত্বপূর্ণ সফর বাতিল করতে হয়েছে। প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া এই দুর্ভোগ নির্বাচন কমিশনের এক নিষ্ঠুর উদ্ভাবন, যা সুপ্রিম কোর্টের ‘মহান’ তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়েছে।
নাগরিকত্ব প্রমাণের দায়ভার এখন সেই নাগরিকের ওপর, যার পূর্বপুরুষদের এ মাটিতেই দাহ করা হয়েছে। যে সফটওয়্যার তাঁদের ‘সন্দেহভাজন ভোটার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেটি এই বৈষম্যের কোনো বিশ্বাসযোগ্য কারণও দেখায়নি। আর প্রধানমন্ত্রীও সেই অভিশপ্ত নাগরিকদের প্রতি সহানুভূতির একটি শব্দ উচ্চারণ করেননি।
সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন, নাগরিকত্বের প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত নয়। কিন্তু নিজের প্রকৃত নাগরিকত্বের মর্যাদা পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় সামর্থ্য ও দৃঢ়তা কজন মানুষের আছে? নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই বৈষম্যের একটি আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে, অথচ রাষ্ট্র কোনো ন্যায়সংগত ও মানবিক সমাধান দেয়নি। ‘খুঁজে বের করো, মুছে দাও, বহিষ্কার করো’—এই শব্দগুলো মানুষের আত্মাকে দগ্ধ করে। আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা কোটি কোটি। আইনজীবী ও অধিকারকর্মীরা একে বিচার বিভাগের ইতিহাসে নতুন এক নিম্নগতি হিসেবে বর্ণনা করছেন। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এ ধরনের বেপরোয়া কর্মকাণ্ড হয়তো এক রক্তাক্ত বিদ্রোহের বীজ বপন করছে।
সুপ্রিম কোর্ট জোর দিয়ে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ থেকে তার ক্ষমতা লাভ করে। কিন্তু এটি নিছক আইনি ভাষা। ৩২৪ অনুচ্ছেদকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা যায় না। কোনো একটি অনুচ্ছেদ থেকে পাওয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সংবিধানের মূল চেতনাকে লঙ্ঘন করতে পারে না। গণতান্ত্রিক কাঠামোর অধীন গঠিত যেকোনো প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য সব কার্যক্রমের ঊর্ধ্বে রয়েছে সমতা ও ন্যায়বিচারের নীতি।
গত কয়েক মাসে বহু দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যগত মিত্র দেশগুলো, যেমন ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি, স্পেন ও ব্রিটেন প্রকাশ্যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ‘চিরন্তন বন্ধুত্বের বন্ধন’ নিয়ে নেতানিয়াহুর বক্তব্য হয়তো মোদিকে সন্তুষ্টির হাসি উপহার দিয়েছে, কিন্তু গাজার রক্তক্ষয়ী ধ্বংসযজ্ঞের দৃশ্য দেখে ভারতের আত্মা আজ রক্তাক্ত।
আগুন নিয়ে খেলা
পানীয় জলের জন্য সংগ্রামরত কোটি কোটি মানুষের কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাধুসুলভ উপদেশ—‘শরীর আর্দ্র রাখুন’—শুষ্ক ঠোঁটে জ্বলন্ত অঙ্গার ছুড়ে দেওয়ার মতোই মনে হতে পারে। তবে ইতালির প্রধানমন্ত্রীর জন্য যত্ন করে টফি নিয়ে যাওয়া মোদি যতই সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া দেখান না কেন, তিনি দেশের প্রতিটি তৃষ্ণার্ত মানুষের হাতে পানির বোতল তুলে দিতে পারবেন না। পানীয় জলের সংকট তাঁর সৃষ্টি নয়। এ দায় তাঁর পূর্বসূরিদেরও বহন করতে হবে।
কিন্তু পরীক্ষার আয়োজনের ক্ষেত্রে যে চরম ব্যর্থতা দেখা যাচ্ছে, তার কোনো অজুহাত নেই। নিট (এনইইটি) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ছুরি তখনো ২০ লাখ শিক্ষার্থীর কোমল মনে ক্ষত সৃষ্টি করছিল, এমন সময় সিবিএসই-সংক্রান্ত নতুন ধাক্কা এসে গোটা ব্যবস্থার পচনকে আরও স্পষ্টভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।
গত এক দশকে প্রশ্নপত্র ফাঁস যেন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে; বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী এ ধরনের ঘটনার সংখ্যা ৭০ থেকে ৯০-এর মধ্যে। সরকারকে বেপরোয়া অব্যবস্থাপনা এবং এই বিশৃঙ্খলার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতা করার অভিযোগের মুখোমুখি হতে হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের কুখ্যাত নিয়োগ কেলেঙ্কারি ‘ব্যাপম’-এর প্রকৃত অপরাধীদের যদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হতো, তাহলে শিক্ষা মাফিয়ারা সারা দেশে এভাবে বিস্তার লাভ করতে পারত না।
সিবিএসইর ত্রুটিপূর্ণ মূল্যায়নপদ্ধতি ভারতকে কার্যত একটি ‘ব্যানানা রিপাবলিক’-এর চিত্রে উপস্থাপন করেছে। শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন সব উদাহরণ তুলে ধরেছে, যা অকল্পনীয় মাত্রার গাফিলতির পরিচয় বহন করে। এটি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নির্মম খেলা ছাড়া আর কিছু নয়। এটি এমন এক কাজ, যা শুধু ভারতের ভবিষ্যৎকেই বিপদের মুখে ফেলবে না, বরং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতি নতুন প্রজন্মের আস্থাও ধ্বংস করবে।
তেলাপোকা-সংক্রান্ত বিতর্কে তরুণদের সৃজনশীল প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়েই তাঁদের হতাশা ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কয়েকটি রাজ্যে ব্যাপক বিক্ষোভও হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেননি, এমনকি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণের দাবিও মেনে নেননি। অতীতে বিভিন্ন সরকার গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতি সম্মান দেখিয়ে জনমতের চাপে সাড়া দিয়েছে। কিন্তু মোদি যেন জবাবদিহির সেই পবিত্র নীতিকেই কবর দিয়েছেন।
নেতানিয়াহু মনে হয় ধরে নিয়েছেন যে ভারত মানেই মোদিইসরায়েলের প্রতি ভালোবাসা
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘ভারতে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন একেবারেই উন্মাদনাপূর্ণ, সত্যিই উন্মাদনাপূর্ণ। বিশ্বের বহু জায়গায় আমরা বৈধতা হারানোর সমস্যার মুখোমুখি হলেও ভারতে পরিস্থিতি ভিন্ন।’ ভারত সফরকে তিনি ‘ভালোবাসার উৎসব’ বলে উল্লেখ করে আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় ভারতে আমার অনুসারীর সংখ্যা বেশি।’
নেতানিয়াহুও মনে হয় ধরে নিয়েছেন যে ভারত মানেই মোদি এবং তাঁর অন্ধ অনুসারীরা। কিন্তু গাজায় গণহত্যা ও ইরানের ওপর আক্রমণ নিয়ে যখন ভারতের বুদ্ধিজীবী সমাজ ও অধিকাংশ নাগরিক ক্ষোভে ফুঁসছে, তখন বিরোধী দলগুলোর সেই সম্মিলিত ক্ষোভ স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তিনি বিভিন্ন নিবন্ধে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি অবিচারের প্রশ্নে মোদি সরকারের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন। ইরানের ওপর হামলার মাত্র দুই দিন আগে মোদির ইসরায়েল সফরও নজিরবিহীন সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল।
‘ভালোবাসার উৎসব’-এর ধারণাটি আসলে ভারতের বাস্তবতাকে মোদির বেপরোয়া বিকৃত উপস্থাপনের ফল। বিশ্বের বিবেকবান মানুষের মতো অধিকাংশ ভারতীয়ও গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা এবং লেবাননে নির্বিচার বোমা হামলায় গভীরভাবে বিচলিত। নেতানিয়াহুর এই বিশ্বাস যে ভারত ইসরায়েলের প্রেমে মগ্ন—এটি নিছক বিভ্রম।
গাজায় ৭২ হাজার নিরীহ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করার জন্য, যাদের মধ্যে প্রায় ৫০ হাজারই নারী ও শিশু, ভারতীয়রা কি ইসরায়েলের প্রতি সন্তুষ্ট? বুদ্ধ ও গান্ধীর দেশ কি এতটাই নিষ্ঠুর হয়ে গেছে? আমাদের সহমর্মিতা কি পুরোপুরি রক্তপিপাসায় রূপ নিয়েছে? না। সরকার যা–ই ভাবুক বা যেভাবেই আচরণ করুক, ভারত শান্তি ও ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ একটি দেশ হিসেবেই থাকবে।
বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে যখন ইসরায়েল ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, তখন ভারতের আড়ালে লুকানোর নেতানিয়াহুর এই কূটচাল সফল হওয়ার নয়। এমনকি ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রেও এখন ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিরোধিতা করছেন। ইহুদিবাদী লবির প্রতি মোহভঙ্গ এখন প্রায় সম্পূর্ণ। প্রায় ২৯টি দেশ এখনো ইসরায়েলকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি, আর এক ডজনের বেশি দেশ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) আইনি পদক্ষেপের উদ্যোগকে সমর্থন করছে।
গত কয়েক মাসে বহু দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যগত মিত্র দেশগুলো, যেমন ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি, স্পেন ও ব্রিটেন প্রকাশ্যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ‘চিরন্তন বন্ধুত্বের বন্ধন’ নিয়ে নেতানিয়াহুর বক্তব্য হয়তো মোদিকে সন্তুষ্টির হাসি উপহার দিয়েছে, কিন্তু গাজার রক্তক্ষয়ী ধ্বংসযজ্ঞের দৃশ্য দেখে ভারতের আত্মা আজ রক্তাক্ত।
সঞ্জয় কে ঝা ভারতীয় রাজনৈতিক ভাষ্যকার
দ্য ওয়ার থেকে নেওয়া। ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত