প্রথমবার দৌড়ে অংশ নিয়ে ঐশী বললেন, ‘নেক্সট টাইম অনেক জোরে দৌড়াব’
· Prothom Alo
শুক্রবার ভোরের আলো ফোটার আগেই রাজধানীর হাতিরঝিল অ্যাম্ফিথিয়েটারে জড়ো হন কয়েক শ দৌড়বিদ। দৌড় শুরুর আগে চলে গা গরম করার পর্ব। এরপর সবাই জড়ো হন স্টার্টিং পয়েন্টে। জাতীয় সংগীতে সুর মেলানোর পর সকাল ছয়টায় শুরু হয় দৌড়।
Visit esporist.org for more information.
স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রাথমিক শনাক্তকরণের গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের ভক্তদের সংগঠন হিমু পরিবহন আয়োজন করে ‘পিংক রান ২০২৬’। এতে কেউ দৌড়ান ১৫ কিলোমিটার, কেউ সাড়ে সাত কিলোমিটার। শিশুদের জন্য ছিল এক কিলোমিটার দৌড়ের আয়োজন।
দৌড়ে অংশ নেন কয়েকজন তারকাও। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অভিনেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। প্রথমবার দৌড়ে অংশ নিয়ে সাড়ে সিত কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি।
সকাল ছয়টায় শুরু হয় দৌড়ঐশী বলেন, ‘অক্টোবর স্তন ক্যানসার সচেতনতার মাস হিসেবে পালিত হয়। মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখা এবং সচেতনতা তৈরির সুযোগ আছে, এমন কাজে আমি অংশ নিতে চাই।’
মজা করে ঐশী আরও বলেন, ‘প্রথমে বুঝতে পারিনি এখানে কেউ প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় হবেন। তাই আরাম করেই দৌড়েছি। নেক্সট টাইম অনেক জোরে দৌড়াব।’
অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী ঊর্বীর জন্য অবশ্য এটি ছিল দ্বিতীয়বার দৌড়ে অংশ নেওয়া। তিনি বলেন, ‘স্তন ক্যানসার নিয়ে কথা বলতে আমাদের মধ্যে একটু জড়তা আছে। আমরা এ বিষয়ে কথা বলতে চাই না। কিন্তু এখনই সময় এ নিয়ে কথা বলার, সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার।’
প্রতিমাসে অন্তত একবার এমন আয়োজনে অংশ নিতে চান বলেও জানান প্রিয়ন্তী।
পূজার আগে মেরুন ফিটেড গাউনে অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী, দেখুন ১০টি ছবিদৌড় শেষে অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী ঊর্বীহিমু পরিবহনের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বলেন, সংগঠনটি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ক্যানসার সচেতনতায় কাজ করছে। এর ধারাবাহিকতায় এই আয়োজন। তাঁদের লক্ষ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক শনাক্তকরণে উৎসাহ দেওয়া এবং এ বিষয়ে সামাজিক সম্পৃক্ততা জোরদার করা।
এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘টুগেদার অ্যাগেইনস্ট ব্রেস্ট ক্যানসার’। আয়োজনটির টাইটেল পার্টনার রেনাটা পিএলসি এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান দ্য অ্যাথলেট এক্স। ফিচার পার্টনার ছিল প্রথম আলোর শনিবারের ক্রোড়পত্র ‘ছুটির দিন’। এ ছাড়া ব্লেন্ডার্স চয়েস, স্যাভয়, লুমেরা, অন্বেষা প্রকাশনী, ভ্রমণকন্যা—ট্রাভেলেটস অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ক্যানসার ইনস্টিটিউটসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতা করেছে।
ঢাকার কাছেই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে এই নদীর পাড়, পূজার ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন